![]() |
আমার বাঁশখালী ডেক্স:
বাঁশখালী উপজেলার সরল
ইউনিয়নের ১নং
ওয়ার্ডের রোকেয়া
বেগমের
জখমী
পরিবার
মামলা
করায়
আসামিদের ভয়ে
গত
এক
মাস
যাবত
ঘর
বাড়ি
ছেড়ে
পালিয়ে
বেড়ানোর অভিযোগ
পাওয়া
গেছে।
তাছাড়া
মামলার
আসামিরা এলাকায়
বীর
দর্পে
প্রকাশ্যে ঘুরছে
বলেও
অভিযোগ
জখমীর
পরিবারের।
গত
৩০
জানুয়ারি বাঁশখালী থানায়
নিয়মিত
মামলা
রুজু
করা
হলেও
অজ্ঞাত
কারণে
আসামিদের না
ধরার
কারণে
অসহায়
পরিবারটি আজ
এলাকা
ছাড়া
বলে
স্থানীয়দের অভিযোগ। এ
বিষয়ে
মঙ্গলবার (১৩
ফেব্রুয়ারি) জখমী
পরিবারের আইনজীবী এ.আর.এম. তকসিমুল গণি
ইমনের
মাধ্যমে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে
শরনাপন্ন হন
মামলার
বাদী
রোকেয়া
বেগম।
স্থানীয় ও
মামলার
সূত্রে
জানা
যায়,
গত
২৬
জানুয়ারি শুক্রবার সকালে
প্রতিদিনের ন্যায়
বাদীর
কৃষি
জমিতে
তার
স্বামী
মোঃ
ইউনুছ
চাষাবাদ করতে
জমিতে
কাজ
করছিলেন। একই
এলাকার
মৃত
আরবান
আলীর
পুত্র
মোঃ
হোসেন
প্রকাশ
বাইশ্যা গং
এর
সাথে
জায়গা
জমি
সংক্রান্ত বিরোধের জের
ধরে
রোকেয়া
বেগমের
পরিবারের উপর
হামলা
করে।
হামলায়
প্রতিপক্ষরা ধারালো
অস্ত্র
দিয়ে
মামলার
বাদী
রোকেয়া
বেগমের
স্বামী
মোঃ
ইউনুছ
ও
মাহমুদুল হকের
মাথায়
কুপিয়ে
গুরুতর
জখম
করে।
হামলার
পর
থেকে
দীর্ঘদিন চমেক
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন
ওই
পরিবারের চার
সদস্য।
তবে
স্বামীর উপর
হামলার
ঘটনায়
স্ত্রী
রোকেয়া
বেগম
বাঁশখালী থানায়
নিয়মিত
এজাহার
দায়ের
করলে
থানা
পুলিশ
তা
রুজু
করে।
রুজুর
পর
থেকে
মামলার
তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ হান্নান খান
অজ্ঞাত
কারণে
আসামিদের না
ধরে
মামলার
কার্যক্রম স্থিমিত করে
রেখেছেন। যার
ফলে
আসামিদের বেপরোয়া তান্ডবে ও
হুমকিতে মামলার
বাদীর
পরিবার
আজ
এলাকা
ছেড়ে
পালিয়ে
বেড়াচ্ছে। এ
ঘটনায়
স্থানীয়রা থানা
পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু
হস্তক্ষেপ কামনা
করেছেন।
এ
বিষয়ে
মামলার
তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ
হান্নান খান
এর
কাছে
জানতে
চাইলে
তিনি
মূল
বিষয়
এড়িয়ে
বর্তমানে কক্সবাজারের টেকনাফ
উপজেলায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন
বলে
জানান। সূত্র: জনকণ্ঠ অনলাইন





No comments:
Post a Comment