আমার বাঁশখালী.কম:
হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর
প্রবণতা সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। বিশেষ করে কয়েকজন
সেলিব্রিটির হঠাৎ মৃত্যুর ফলে হার্ট অ্যাটাকের বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে।
হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো, এটি কেবল বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যেই হয়
না, অনেক তরুণ হার্ট অ্যাটাকের ফলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। হার্ট অ্যাটাকের
অবশ্যই কারণ আছে। তবে যথেষ্ঠ পরিমাণ পুষ্ঠিকর খাবার খেলে আমাদের হার্ট
অ্যাটাক থেকে বাঁচার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। তবে যেখানে আমাদের দেশের
মানুষরা অপুষ্ঠিতে ভুগছে, সেখানে কি খাবার খেলে এর ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া
যাবে ?
ভারতের বিখ্যাত পুষ্ঠিবিদ ও হৃদরোগ
বিশেষজ্ঞ ডা. কালিতা বলেন, ‘রক্তে কোলেস্টরলের পরিমাণ কমাতে বাদামের কোনো
বিকল্প নেই। হৃদরোগ নিরাময়ে বাদামের উপযোগিতা বিষয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে।
যেহেতু সব ধরণের গবেষণায় বাদামের উপকারিতার কথা পাওয়া গেছে। তাই আমরা এক
হাজার ৫০০ মানুষের উপর ফের গবেষণা চালাই।’
গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে কোলেস্টেরলের
পরিমাণ কমাতে বাদামের কোনো জুড়ি নেই। এটি রক্তের ক্ষতিকর ডিসলিপিডেমিয়াকে
নিয়ন্ত্রণ করে। তবে শরীরের জন্য উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরলের কোনো ক্ষতি
করে না। তাই বাদাম হার্ট অ্যাটাক রোধে খুব প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। এ ছাড়া
বর্তমানে হার্ট অ্যাটাক রোধে প্রাকৃতিক কিছু থেরাপি দেওয়া হচ্ছে।
হার্ট অ্যাটাকের রোগীদের যে ওষুধ দেওয়া
হয়, তা দিয়ে রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল এলডিএল কমানো হয়। তবে ওষুধের ফলে
উপকারী ও অপকারী দুই কোলেস্টেরলের পরিমাণ-ই কমে। অন্যদিকে বাদাম খেলে কেবল
ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমে যায়। এখানেই বাদামের কারিশ্মা। বাদামের মূল
টার্গেট-ই হলো ক্ষতিকারক এলডিএল কোলেস্টেরল। শুধু তাই নয়, এটি শরীরের
উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় বলেও জানান ডা. কালিতা।
হার্ট সুস্থ রাখতে দিনে কত গ্রাম বাদাম
খাওয়া দরকার? ডা. কালিতা বলেন, দৈনিক ৪৫ গ্রাম বাদাম খেলে রক্তে
কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর সাথে হৃদযন্ত্রও থাকে সুস্থ।
সূত্র: ইন্ডিয়ান টুডে




No comments:
Post a Comment