আমার বাঁশখালী ডটকম:
একটি সড়ক দুর্ঘটানয় মোড় ঘুরে গিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের। সেই দুর্ঘটনা না হলে তিনি হয়তো আজ মন্ত্রী হতেন না। আর তখন তার মা দিন রাত সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে কাঁদতেন। এভাবেই অতীত স্মরণ করে আবেগ প্রবণ হয়ে পড়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
আজ (১৩ মে) বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের `গরবিনী মা` শীর্ষক রত্নাগর্ভা মায়েদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হন। একই সময়ে (১৯৭৩ সালে) তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে স্বরাষ্টমন্ত্রী
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যেহেতু আমি মুক্তিযোদ্ধা তাই সেনাবাহিনীতে জয়েন করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু যেদিন চাকুরিতে যোগদান করবো সেদিন আমি সড়ক দুর্ঘটনায় ভয়াবহভাবে আহত হই। শুধু আহত বললে ভুল হবে। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার মায়ের কান্না দেখে আল্লাহ সহ্য করতে পারেননি। সুস্থ হয়ে উঠেছিলাম।
এরপর তিনি দীর্ঘদিন বিশ্রামে ছিলেন। সুস্থ হওয়ার পর শুরু করেন ব্যবসা। পাশাপাশি রাজনীতি। তিনি বলেন, মানুষের জীবনের মোড় কখন কীভাবে ঘুরে যায় সেটা বলা মুশকিল। হওয়ার কথা ছিল আর্মি অফিসার। হলাম রাজনীতিক। আবার আমার মায়ের দোয়া না থাকলে দুর্ঘটনা জীবনের যবনিকাপাত হতে পারতো।
আমার বাঁশখালী ডটকম
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও প্রতিনিধিরা নিউজ পাঠান
ই-মেইল: amarbanskhali@gmail.com
ভিজিট করুন: www.amarbanskhali.com
প্রধান সম্পাদক শাহ্ মুহাম্মদ শফিউল্লাহ্ ও প্রকাশক
নিচে আপনার মতামত লিখুন
একটি সড়ক দুর্ঘটানয় মোড় ঘুরে গিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের। সেই দুর্ঘটনা না হলে তিনি হয়তো আজ মন্ত্রী হতেন না। আর তখন তার মা দিন রাত সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে কাঁদতেন। এভাবেই অতীত স্মরণ করে আবেগ প্রবণ হয়ে পড়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
আজ (১৩ মে) বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের `গরবিনী মা` শীর্ষক রত্নাগর্ভা মায়েদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হন। একই সময়ে (১৯৭৩ সালে) তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে স্বরাষ্টমন্ত্রী
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যেহেতু আমি মুক্তিযোদ্ধা তাই সেনাবাহিনীতে জয়েন করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু যেদিন চাকুরিতে যোগদান করবো সেদিন আমি সড়ক দুর্ঘটনায় ভয়াবহভাবে আহত হই। শুধু আহত বললে ভুল হবে। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার মায়ের কান্না দেখে আল্লাহ সহ্য করতে পারেননি। সুস্থ হয়ে উঠেছিলাম।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যেহেতু আমি মুক্তিযোদ্ধা তাই সেনাবাহিনীতে জয়েন করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু যেদিন চাকুরিতে যোগদান করবো সেদিন আমি সড়ক দুর্ঘটনায় ভয়াবহভাবে আহত হই। শুধু আহত বললে ভুল হবে। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার মায়ের কান্না দেখে আল্লাহ সহ্য করতে পারেননি। সুস্থ হয়ে উঠেছিলাম।
এরপর তিনি দীর্ঘদিন বিশ্রামে ছিলেন। সুস্থ হওয়ার পর শুরু করেন ব্যবসা। পাশাপাশি রাজনীতি। তিনি বলেন, মানুষের জীবনের মোড় কখন কীভাবে ঘুরে যায় সেটা বলা মুশকিল। হওয়ার কথা ছিল আর্মি অফিসার। হলাম রাজনীতিক। আবার আমার মায়ের দোয়া না থাকলে দুর্ঘটনা জীবনের যবনিকাপাত হতে পারতো।
আমার বাঁশখালী ডটকম
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও প্রতিনিধিরা নিউজ পাঠান
ই-মেইল: amarbanskhali@gmail.com
ভিজিট করুন: www.amarbanskhali.com
প্রধান সম্পাদক শাহ্ মুহাম্মদ শফিউল্লাহ্ ও প্রকাশক
নিচে আপনার মতামত লিখুন




No comments:
Post a Comment