আমার ৭৭বছরের জীবনে এমন অসত্য অভিযোগের সম্মুক্ষিন হইনি: ম.খা. আলমগীর (ভিডিও সহ) - আমার বাঁশখালী ডটকম AmarBanskhali.Com

ব্রেকিং নিউজ

শীর্ষ বিজ্ঞাপন

নিউজ এর উপরে বিজ্ঞাপন

Tuesday, February 13, 2018

আমার ৭৭বছরের জীবনে এমন অসত্য অভিযোগের সম্মুক্ষিন হইনি: ম.খা. আলমগীর (ভিডিও সহ)


আমার বাঁশখালী ডেক্স:
খন্দকার জিয়াউদ্দিন আহমেদ: সম্প্রতি ফারমার্স ব্যাংকের তারল্য সংকট দেশের ব্যাংকিং ক্ষেত্রে এক আশ্চর্য্য রকম জল্পনার অবকাশ করেছে। ব্যাংকটিকে ঘিরে সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রনে নিত্য নতুন ষড়যন্ত্রের জাল বুনন প্রক্রিয়া চলছেই তো চলছে। যেন কোন এক রাজ্য বা ধনভান্ডার দখলের অঘোষিত লড়াইয়ে মগ্ন ব্যাংকটির নব্য পরিচালকরা। উল্লেখ্য ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক পরিচালক-চেয়ারম্যান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব মহীউদ্দিন খান আলমগীর উক্ত ষড়যন্ত্রের মূল টার্গেটে পরিণত হয়েছেন। বিশেষ করে দেশের মানুষের অন্যতম আস্থার প্রতীক যে গণমাধ্যম, তারই অংশবিশেষ যখন উপরোল্লিখিত ষড়যন্ত্রকারী কুচক্রের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে জনাব মহীউদ্দিন খান আলমগীরের বিরুদ্ধে কল্পনাপ্রসূত একের পর এক মিথ্যাচার করেই চলছে তখন এটা পরিষ্কার যে, ব্যাংকটির বর্তমান সংকট কালে এর অনিষ্ঠ সাধনে দূরভীসন্ধিমূলক কুচক্রের ষড়যন্ত্রে এই গুটি কয়েক গণমাধ্যম ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানও  ধারাবাহিকভাবে প্রতক্ষ্য ভূমিকায় লিপ্ত এবং এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। সম্প্রতি  দেশের উল্লেখ্যযোগ্য ৩টি সংবাদপত্রে ব্যাংকটির সাবেক এই চেয়ারম্যান কে নিয়ে একরাশ কাল্পনিক মিথ্যাচার করা হয়েছে যার কোন বাস্তবসম্মত ভিত্তি নেই। জনাব মহীউদ্দিন খান আলমগীর একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি এবং দেশের প্রথম শ্রেনীর বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে অন্যতম। সম্ভ্রান্ত ও উচ্চ শিক্ষিত এক পরিবারের যথাযথ দীক্ষায় দীক্ষিত তাঁর অতীত বিশ্লেষন করলেই পরিষ্কার বোধগম্য যে, তারঁ কোন প্রকার দূর্নীতির আশ্রয় গ্রহন করার প্রয়োজন কোনদিনই ছিল না। সোমবার এই অভিজ্ঞ সাংসদ জাতীয় সংসদের পয়েন্ট অব অর্ডারে দাড়িয়ে মাননীয় স্পীকারের নিকট তাঁর নিজ সাম্প্রতিক অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্টে গমন বিষয়ক বিবৃতি প্রদান ও অনুমোদন গ্রহনকালে উক্ত মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদমূলক প্রতিক্রিয়া উপস্থাপন করেন।  তিনি বলেন, ঐ ৩টি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যাচার করা হয়েছে। ঐ বানোয়াট খবরগুলোতে বলা হয়েছে যে, ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি নাকি কমিশন সাপেক্ষে বিভিন্ন গ্রাহককে ঋণ সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন। এরই প্রতিক্রিয়ায় বর্ষীয়ান এই জন প্রতিনিধি আরও উল্লেখ করেন তাঁর দীর্ঘ ৭৭ বছরের জীবনে এমন অসত্য অভিযোগের সম্মুখীন তিনি এর আগে হন নাই। তিনি এক জীবনে বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তন্মধ্যে তিনি শিল্প ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদে সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও কৃষি ব্যাংক ও শিল্প ঋণ সংস্থার সভাপতি পদের দায়িত্ব  সহ জেদ্দায় অবস্থিত ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের পদেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেনে তিনি। এই সকল গুরুদায়িত্ব পালনকালে তার সততা ও একনিষ্ঠতা সম্পর্কে কেউ কোনদিনই কোন আপত্তিকর অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে নাই। ফারমার্স ব্যাংককে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিপরীতে তিনি ব্যাংকটিতে থাকা তাঁর ব্যাংক স্ট্যাটমেন্টের কথা উল্লেখ করে বলেন, স্ট্যাটমেন্টে স্পষ্ট যে ফারমার্স ব্যাংকের কোন ঋণ গ্রহীতার এ্যাকাউন্ট থেকে তার এ্যাকাউন্টে কোন প্রকার লেনদেন সংঘটিত হয় নাই। একই প্রসঙ্গে জনাব মহীউদ্দিন খান আলমগীর এমপি তার নিজ ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট প্রদর্শন পূর্বক আরও উল্লেখ করেন, ঐ সকল মিথ্যা খবরে প্রকাশিত, ১৭ই জুলাই ২০১৭ তারিখে তাঁর এ্যাকাউন্টে নাকি কোন এক ঋণ গ্রহিাতর এ্যাকাউন্ট থেকে ১৩ কোটি টাকা জমা হয় যা বানোয়াট ও অবাস্তব। তাঁর এ্যাকাউন্টে গত বছর এমন কোন আকাশকুসুম লেনদেন হয় নাই যা তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট-এ প্রতীয়মান। এধরনের ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা ও বানোয়াট খবর প্রকাশ করা দেশের শীর্ষ সারির এসকল গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে কাম্য নয় বলে তিনি জানান। পক্ষান্তরে এধরনের মিথ্যাচার কে তিনি একধরনের অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেন যা সুস্থ সমাজ কায়েমের ক্ষেত্রে বাধাস্বরূপ বলে তিনি মনে করেন।  উল্লেখ্য, তিনি ফারমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালে কোনপ্রকার নিয়মবহির্ভূত অনুমোদনহীন ঋণ প্রদান করেন নাই। এধরনের গর্হীত কাজ ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকদের মাধ্যমেই এমকমাত্র ঘটে থাকে। এছাড়াও তিনি জানান যে, ব্যাংকটিতে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁরা ইচ্ছাকৃত ভাবেই উদ্যোগ গ্রহন করেছিলেন। কারণ, তারাই প্রথম বেসরকারী ব্যাংক যারা ঢালাওভাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের নিয়োগ দিয়েছিলেন এবং এজন্য তারা গর্বিত। তবে অন্য কোন প্রকার নিয়ম বহির্ভূত নিয়োগ তারা ব্যাংকটি দেন নাই। এ ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশ ব্যাংক আইনের ৭৮ অনুচ্ছেদ কে অনুসরন করেছেন পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে। সর্বশেষ তিনি ব্যাংকটির বর্তমান সংকট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানান এবং সেই প্রক্রিয়াকে কলুষিত করে যারা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার বরাবর আবেদন জানান।
ভিডিও দেখতে এখানে প্রবেশ করুন: https://www.youtube.com/watch?v=o7egsCA3FP0#action=share

No comments:

Post a Comment

পোস্টের নীচে বিজ্ঞাপন