আমার বাঁশখালী ডেক্স:
সিআরবি এলাকায় জোড়া খুনের মামলার আসামি যুবলীগের
ক্যাডার অজিত বিশ্বাস। দুর্ধর্ষ এ ক্যাডারের সাথে বোয়ালখালী থানার ওসি
হিমাংশু কুমার দাসের একটি ছবি শোভা পাচ্ছে ফেসবুকে। ওসির সঙ্গে তোলা ছবিটি
২০১৭ সালের ২ নভেম্বর নিজের ফেইসবুক ওয়ালে আপলোড করেছেন অজিত বিশ্বাস।
‘কিলার অজিত’ নামে পরিচিত যুবলীগের
এ ক্যাডার পুলিশের খাতায় ‘পলাতক’। অথচ তারই সঙ্গে থানার শীর্ষ কর্মকর্তার ছবি। তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তোলপাড়।
১৫ মাস ধরে তদন্ত শেষে সিআরবি জোড়া খুনের মামলায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন পিবিআই মেট্রো শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। এতে অজিতকে প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ২০১৩ সালের ২৪ জুন নগরের সিআরবিতে রেলওয়ের দরপত্র নিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে গোলাগুলির সময় অজিতের গুলিতেই শিশুসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছিল বলে পিবিআই’র তদন্তে উঠে এসেছে।
অবশ্য জোড়া খুনের ঘটনার পরপর কোতোয়ালি থানার তৎকালীন এসআই মহিবুর রহমান বাদি হয়ে ৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলন। ওই মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে ৭৮ নম্বরে ছিল অজিত বিশ্বাসের নাম। এদিকে ঘটনার এক মাস পর নিহত যুবলীগ কর্মী সাজু পালিতের মা মিনতি পালিত বাদি হয়ে অজিতকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করেন। তখন জোড়া খুনের বিষয়ে পুলিশ ও সাজু পালিতের মায়ের করা মামলা একসঙ্গে তদন্ত করে চার্জশিট দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।
জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে ব্যবসায়ী মাবুদ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা খেটে ২০১১ সালে জামিনে মুক্তি পান অজিত। তার বাড়ি বোয়ালখালীর কানুনগোপাড়ায়। আদালত সূত্র জানায়, জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান অজিত বিশ্বাস। বছরখানেক আগে অজিত বিশ্বাসের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। অভিযোগ আছে, পরোয়ানা থাকলেও তাকে গ্রেফতারে পুলিশের তৎপরতা নেই। বোয়ালখালীসহ নগরের বিভিন্ন সরকারি অফিসে তার সরব উপসি’তি দেখা যায়।
বিষয়টির স্বীকার করে বোয়ালখালী থানার ওসি হিমাংশু কুমার দাস গতকাল শনিবার রাত আটটায় সুপ্রভাতকে বলেন, ‘বোয়ালখালী থানায় যোগ দিয়েছি সাড়ে তিনমাস আগে। এসময় অনেকেই ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন থানায়। এ সুযোগটা হয়তো সে (অজিত) নিয়েছে। এটা যে অজিত তা আমি জানতাম না। আর সেদিন অজিতের সাথে আরও লোকজন থানায় শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিল। ফেসবুকে দেওয়া ছবিটা কে বা কারা হয়তো কাটছাট করে গণমাধ্যমের কাছে উপস’াপন করছে। সুপ্রভাত বাংলাদেশ
১৫ মাস ধরে তদন্ত শেষে সিআরবি জোড়া খুনের মামলায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন পিবিআই মেট্রো শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। এতে অজিতকে প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ২০১৩ সালের ২৪ জুন নগরের সিআরবিতে রেলওয়ের দরপত্র নিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে গোলাগুলির সময় অজিতের গুলিতেই শিশুসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছিল বলে পিবিআই’র তদন্তে উঠে এসেছে।
অবশ্য জোড়া খুনের ঘটনার পরপর কোতোয়ালি থানার তৎকালীন এসআই মহিবুর রহমান বাদি হয়ে ৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলন। ওই মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে ৭৮ নম্বরে ছিল অজিত বিশ্বাসের নাম। এদিকে ঘটনার এক মাস পর নিহত যুবলীগ কর্মী সাজু পালিতের মা মিনতি পালিত বাদি হয়ে অজিতকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করেন। তখন জোড়া খুনের বিষয়ে পুলিশ ও সাজু পালিতের মায়ের করা মামলা একসঙ্গে তদন্ত করে চার্জশিট দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।
জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে ব্যবসায়ী মাবুদ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা খেটে ২০১১ সালে জামিনে মুক্তি পান অজিত। তার বাড়ি বোয়ালখালীর কানুনগোপাড়ায়। আদালত সূত্র জানায়, জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান অজিত বিশ্বাস। বছরখানেক আগে অজিত বিশ্বাসের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। অভিযোগ আছে, পরোয়ানা থাকলেও তাকে গ্রেফতারে পুলিশের তৎপরতা নেই। বোয়ালখালীসহ নগরের বিভিন্ন সরকারি অফিসে তার সরব উপসি’তি দেখা যায়।
বিষয়টির স্বীকার করে বোয়ালখালী থানার ওসি হিমাংশু কুমার দাস গতকাল শনিবার রাত আটটায় সুপ্রভাতকে বলেন, ‘বোয়ালখালী থানায় যোগ দিয়েছি সাড়ে তিনমাস আগে। এসময় অনেকেই ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন থানায়। এ সুযোগটা হয়তো সে (অজিত) নিয়েছে। এটা যে অজিত তা আমি জানতাম না। আর সেদিন অজিতের সাথে আরও লোকজন থানায় শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিল। ফেসবুকে দেওয়া ছবিটা কে বা কারা হয়তো কাটছাট করে গণমাধ্যমের কাছে উপস’াপন করছে। সুপ্রভাত বাংলাদেশ




No comments:
Post a Comment