
জেলার নাসিরনগরে জায়গা জমির বিরোধের জেরে মামলা করে বাড়ি ছাড়া ফুল মিয়ার পরিবার। প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ফুল মিয়ার স্ত্রী একটু সুস্থ্য হলেও মিথ্যা মামলার আসামি হওয়ায় বাড়ি যেতে পারছেনা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হরিপুর ইউনয়নের নরহা গ্রামে। সরজমিন এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায় ৩০ বৎসর পূর্বে ফুল মিয়া পার্শ্ববর্তী বাড়ীর লিলু মিয়ার নিকট থেকে ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ঘরবাড়ি তৈরী করে বসবাস করে আসছে। যার দাগ নং ৫৭৮ ও ৫১৫। ত্রিশ বৎসর পরে দেখা যায় ৫১৫ দাগের সাড়ে তিন শতক জায়গা দখলকৃত ফুল মিয়ার বাউন্ডারির বাইরে রয়েছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় ২ মাস যাবৎ চলছে বাকবিতন্ডা ।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হরিপুর ইউনয়নের নরহা গ্রামে। সরজমিন এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায় ৩০ বৎসর পূর্বে ফুল মিয়া পার্শ্ববর্তী বাড়ীর লিলু মিয়ার নিকট থেকে ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ঘরবাড়ি তৈরী করে বসবাস করে আসছে। যার দাগ নং ৫৭৮ ও ৫১৫। ত্রিশ বৎসর পরে দেখা যায় ৫১৫ দাগের সাড়ে তিন শতক জায়গা দখলকৃত ফুল মিয়ার বাউন্ডারির বাইরে রয়েছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় ২ মাস যাবৎ চলছে বাকবিতন্ডা ।
১৪ মে ২০১৮ বিকাল ৫ ঘটিকায় লিলু মিয়ার ওয়ারিশগন রুবেলের নেতৃত্বে ফুল মিয়ার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে লুটপাট,ও ছিনতাই করে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এতে ৪ জন আহত হলেও স্ত্রী মুছেনা বেগম (৪০) গুরুতর আহত হয়। এ ব্যাপারে রুবেল সহ সাত জনকে আসামি করে ইকরাম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহা নাসিরনগর থানার মামলা নং ১৯ তাং ১৯/০৫/২০১৮ ইং।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সাধন কান্তি চৌধুরী মামলার সত্যতা প্রমানে কালা মিয়া সহ ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। আসামিরা পর্যায়ক্রমে জামিনে এসে ফুল মিয়ার পরিবারকে গ্রাম ছাড়ার হুমকি সহ মারধরের চেষ্টা করে এবং প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন ভাবে ঘায়েল করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে।
এরই মাঝে ৬ জুলাই২০১৮ ব্রাহ্মনবাড়ীয়া বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে শরীফ মিয়া বাদী হয়ে রিমা আক্তার (১৩) পিং সানু মিয়াকে দিয়ে একটি মিথ্যা ধর্ষন মামলা রুজু করেন। যা বিজ্ঞ আদালত ঋ.ও.জ. গন্যে থানায় প্রেরণ করেন। মামলা নং পি ৪৭১/১৮ ইকরাম (১৯) সহ আসামি করা হয় ৮০ বছর বয়স্ব বৃদ্ব ফুল মিয়া সহ তার প্রতিবন্ধী ছেলে ও পরিবারের সকল সদস্যদেরকে।
এ ব্যাপারে পূর্ব নরহা গ্রামের ইউপি সদস্য তাজু মিয়ার সাথে আলাপ করে জানা যায়, ফুল মিয়াকে অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে। এলাকাবাসি ১ বার গ্রামে ও পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদে উক্ত ব্যাপারটি আপোষে নিষ্পত্তি করে।বিচারের রায় হিসেবে ফুল মিয়া নিজ খরচে ৫১৫ দাগের সাড়ে তিন শতক জায়গা রেজিস্ট্রি করে নিবে।
প্রতিপক্ষ কে জমি বাবদ ২০০০০ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু রুবেল ২ দিন পরেই এই রায় প্রত্যাখ্যান করে। ৩ জুলাই ২০১৮ বিকেল ৪ ঘটিকার সময় রুবেল গংরা দা, লাঠি, রড নিয়ে পুনরায় ফুল মিয়ার বাড়িতে আক্রমণ সহ ভাংচুর করে। লুটে নেয় নগদ অর্থসহ মোবাইল ও স্বর্ণালংকারাদি। ফুল মিয়ার, পরিবার পরিজনদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে তাদের উঠানে ১টি টিনের চালা দিয়ে দখল করে নেয় রুবেল ও তার সহযোগীরা।
এ ব্যাপারে ফুল মিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে এ এস আই মোঃ ইমাম হোসেন রাজু সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপস্হিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফুল মিয়ার পরিবার ধর্ষন মামলার আসামি হওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়ি যেতে পারছে না।ধর্ষন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসিরনগর থানার এস,আই মোঃ ছিদ্দিকুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন মামলাটির বিষয়ে খুব নিখুত ভাবে তদন্ত চলছে। আমার বাঁশখালী.কম। সূত্র: কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি।




No comments:
Post a Comment