আমার বাঁশখালী ডেক্স:
ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকের ওপর অভিমান করে জান্নাত আক্তার (১৬) নামে এক
স্কুলছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে
গৌরনদী পৌরসভার দিয়াসুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জান্নাত আক্তার ওই এলাকার মো. হারুন খানের মেয়ে। সে বরিশালের গৌরনদী গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকের ওপর অভিমান করে জান্নাত ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মেহেদী হাসান জানান, গৌরনদী গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণিত শিক্ষক পিযুষ বাড়ৈর দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের ভাড়াটিয়া বাসায় বসে ৮-১০ জন ছাত্রীকে অঙ্ক পড়ান। প্রতিদিনের মতো জান্নাত আক্তার বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত গণিত প্রাইভেট পড়ে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে যায়।
তিনি জানান, ছাত্রীর মা খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করলেও সে তার কক্ষে বসে থাকে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্রীর মা ঘরে ঢুকে দেখতে পায় জান্নাত গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে। তাৎক্ষণিক স্বজনরা উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে বরিশাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এসআই আরও জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়। ওই ডায়েরিতে ছাত্রীর নিজ হাতে লেখা রয়েছে- ‘১৪ ফেব্রুয়ারি সকলে আনন্দের দিন, আর আমার হলো মরণের দিন।’ এতে পুলিশের ধারণা করা হচ্ছে, ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকের ওপর অভিমান করে জান্নাত আত্মহত্যা করেছে।
এ ব্যাপারে নিহত ছাত্রীর বাবা হারুন খান বাদী হয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
নিহত জান্নাত আক্তার ওই এলাকার মো. হারুন খানের মেয়ে। সে বরিশালের গৌরনদী গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকের ওপর অভিমান করে জান্নাত ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মেহেদী হাসান জানান, গৌরনদী গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণিত শিক্ষক পিযুষ বাড়ৈর দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের ভাড়াটিয়া বাসায় বসে ৮-১০ জন ছাত্রীকে অঙ্ক পড়ান। প্রতিদিনের মতো জান্নাত আক্তার বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত গণিত প্রাইভেট পড়ে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে যায়।
তিনি জানান, ছাত্রীর মা খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করলেও সে তার কক্ষে বসে থাকে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্রীর মা ঘরে ঢুকে দেখতে পায় জান্নাত গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে। তাৎক্ষণিক স্বজনরা উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে বরিশাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এসআই আরও জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়। ওই ডায়েরিতে ছাত্রীর নিজ হাতে লেখা রয়েছে- ‘১৪ ফেব্রুয়ারি সকলে আনন্দের দিন, আর আমার হলো মরণের দিন।’ এতে পুলিশের ধারণা করা হচ্ছে, ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকের ওপর অভিমান করে জান্নাত আত্মহত্যা করেছে।
এ ব্যাপারে নিহত ছাত্রীর বাবা হারুন খান বাদী হয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
No comments:
Post a Comment